‘নাম বললে চাকরি থাকবে না’ এবং যৌননৈতিকতার বিচারক যখন সামাজিক মাধ্যম

সেই আনা কারেনিনা থেকে শুরু ( মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য বলা, লিও তলস্তোয়ের যে ক্লাসিক উপন্যাসের ক্লাসিক প্রথম লাইন  হচ্ছে, প্রতিটি সুখী পরিবার একই রকম, প্রতিটি অসুখী পরিবার নিজের মতন করে অসুখী) – আত্মহত্যাকে ‘স্খলিত’ নারীর পরিণতি হিসেবে কেবল মেনে নেওয়া নয়, অবশ্যম্ভাবী মনে করা হয় জগতে। বিশেষত এ দেশে নারীর জন্য আত্মহননের ক্ষেত্রে স্খলনের চেয়ে নির্যাতন আরও বড় কারণ, নারীর আত্মহত্যার। সেই নির্যাতন, হতে পারে মানসিক, শারিরীক, যৌন, সামাজিক- নানা পদের, নানা মাত্রার। নারীর জন্য জীবন ও জগত বেশিই কঠিন। আত্মহত্যা বরং সহজ। আত্মহত্যা নারীর জন্য এমনই সহজ স্বাভাবিক যে রবীন্দ্রনাথের স্ত্রীর পত্রের মৃণালিনীর সেই আফসোসও মনে পড়ে, “বিন্দিটার এমনি পোড়া কপাল বটে! যতদিন বেঁচে ছিল রূপে গুণে কোনো যশ পায় নি — মরবার বেলাও যে একটু ভেবে চিন্তে এমন একটা নতুন ধরনে মরবে যাতে দেশের পুরুষরা খুশি হয়ে হাততালি দেবে তাও তার ঘটে এল না। মরেও লোকদের চটিয়ে দিলে!”

স্ত্রীর পত্রের বিন্দুর বয়স ছিলো পনের, কিন্তু তাকে শিশু নয়, নারী হিসেবেই বিবেচনা করা হয়েছে। সে সময়ে কাকে শিশু বলে ধরা হবে আর কাকে নয়, তা নিয়ে সার্বজনীন কোন নিয়ম ছিলো না। রজস্বলা হলেই ঘুচে যেত নারীর শৈশব।

সম্প্রতি মুনিয়া নামের একটি মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। নিহত একজন শিক্ষার্থী। তিনি উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে অধ্যয়নরত ছিলেন ঢাকার একটি কলেজে। কলেজ পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের শিশু বলে বিবেচনা করা হয় কারণ তাদের বয়স সাধারণত ১৮ বছরের নিচে। অথচ সংবাদ পরিবেশনে তাকে ‘শিক্ষার্থী’ না বলে ‘তরুনী’ বলে উল্লেখ করা হয় (প্রথম আলো)। এমনকি এ দেশের সংবাদমাধ্যমের একাংশ মেয়েটির নাম ছবিসহ তার চৌদ্দ গুষ্টির ঠিকুজি কুলুজি প্রকাশ করলেও হত্যা অথবা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যাক্তির নাম এবং ছবি ছাপেনি।  একটি টেলিভিশন চ্যানেল (চ্যানেল আই) এমনকি নিহত ও অভিযুক্তের যুগল ছবিতে অভিযুক্তের চেহারা ব্লার করে দিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রবল আলোচনা সমালোচনার মুখে পরবর্তীতে ওই ব্যক্তির নাম ও ছবি প্রকাশ করেছে সকল মিডিয়াই। ব্লার করে দেওয়ার ঘটনাটি অসাবধানতা বশত ঘটে গেছে বলে ক্ষমা প্রার্থনা করেছে চ্যানেল আই।

সাংবাদিকতার নীতি নৈতিকতায় সব সময়ই জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে বলা হয়, বলা হয় জনগণের অধিকারকে আমলে আনতে, মানুষের সঙ্গে থাকতে, নিরপেক্ষ থাকতে। কিন্তু গণমাধ্যমের স্বাধীনতার যে দুটো দিক আছে, সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকতার বা সাংবাদিকের স্বাধীনতা, সেখানে এসেই কাহিনী প্যাঁচ খেয়ে যায়। কথায় বলে, যার নুন খাই, তার গুণ গাই। সাংবাদিক মিডিয়া হাউজের চাকরি করেন, মালিকপক্ষের স্বার্থের ব্যাঘাত ঘটে এমন কিছু লেখার বা বলার স্বাধীনতা তার স্বাভাবিকভাবেই নেই। এখন ভরসা হচ্ছে মালিকপক্ষ। মালিকপক্ষই যখন বড় বড় পুঁজিপতি কিংবা মালিকপক্ষের টিকি যখন বাঁধা থাকে বড় বড় পুঁজিপতির হাতে, তখন স্বাধীনতাটা আসবে কোথা থেকে?

নব্বুই এর দশকে দীর্ঘ সামরিক শাসনের শেষে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা শুরু হওয়ার পর থেকে সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে মুক্তবাজারের বেসরকারি মালিকানার  সংবাদমাধ্যমের যাত্রা শুরু হয়। নানা বেসরকারী টিভি চ্যানেল আসায় বিটিভি বাদ দিয়ে দর্শক ভরসা করতে থাকেন বেসরকারি চ্যানেলগুলোর ওপর। মুদ্রণ মাধ্যমের ক্ষেত্রেও গণতান্ত্রিক সরকার সংবাদপত্রকে মুক্ত, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ থাকতে দেবে বলে প্রত্যাশা তৈরি হয়।  যে দেশের গণমাধ্যম যত স্বাধীন, গণমাধ্যমের কাছ থেকে জনমনে প্রত্যাশাও তত বেশি। আলোচ্য ঘটনায় গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে তীব্র জনরোষ এটাই প্রমাণ করে যে, এ দেশের মানুষ, নাগরিক, পাঠক দর্শকের একাংশ গণমাধ্যমকে স্বাধীন বিবেচনা করেন। কিন্তু আসলেই কি গণমাধ্যমগুলো ততটা স্বাধীন, যতটা মনে করা হয়?

এই ক্ষেত্রে টেলিভিশন চ্যানেল ও অনলাইন নিউজপোর্টালগুলোর সমালোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, মূলত ফেইসবুক। একজন নিহত ব্যাক্তির, সে ব্যাক্তি, যে ব্যক্তি একই সঙ্গে নারী এবং শিশু, তার নাম প্রকাশের বিপরীতে হত্যা বা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে অভিযুক্তকে ‘একটি শীর্ষস্থানীয় গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রির এমডি’ ‘একজন শিল্পপতি’ ইত্যাদি অভিধায় ভূষিত করায় নিন্দামন্দের যে ঝড় উঠেছে, তাকে গতি দেওয়ার অন্যতম হাতিয়ার ছিল ফেইসবুক। কিন্তু সংবাদমাধ্যমের এই পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকার সমালোচনার সাথে সাথে নিহত ও অভিযুক্ত, উভয়ের চরিত্র বিশ্লেষণে যৌন নৈতিকতার বিচারক সেজে বসার ক্ষেত্রেও ফেইসবুকের ভূমিকা তুলনাহীন।

সামাজিক মাধ্যমকে ইদানীং বাজার, ডাস্টবিন, মূর্খের রাজত্ব ইত্যাদি বলা হয় এবং এই বলায় খুব একটা ভুলও হয়তো নেই। যদিও মত প্রকাশের স্বাধীনতা আর গালিগালাজের, ঘৃণা ও বিদ্বেষ প্রচারের স্বাধীনতা এক নয়, কিন্তু এ কথা মানছে কে? নিহত মেয়েটির বাসা ভাড়ার অংক থেকে শুরু করে তার বয়স, তার পরিবার তার লোভ লালসা, অভিযুক্তের সঙ্গে তার সম্পর্কের মাত্রা ও ধরণ – সকল কিছুই চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন নেটিজেনরা। সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্তের নানা রকম ‘পরকীয়া’ সম্পর্কের ইতিহাস ঘেঁটে তাকে লম্পট হিসাবে প্রমাণের চেষ্টারও কমতি নেই।

এখন কথা হচ্ছে, অনৈতিকতা এবং অপরাধ এক নয়। বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক নৈতিকতার বিচারে নিন্দনীয় হতে পারে, কিন্তু পরস্পর সম্মতির ভিত্তিতে এ সম্পর্ক রচিত হলে তা আইনের দৃষ্টিতে কোন অপরাধ নয়। সেই দিক থেকে শিল্পপতি আনভীরের বহু নারী গমন বা নায়িকাসঙ্গ তার বহুগামিতার প্রমাণ হতে পারে, কিন্তু সে জন্য তাকে বিচার বা শাস্তির আওতায় আনা চলে না, যতক্ষণ না আনভিরের বিবাহিতা স্ত্রী তার বিরুদ্ধে আইনি কোন পদক্ষেপ নেন। আর মেয়েটির দিক থেকে বললে, সে যে সম্পর্কের ভেতর দিয়ে গিয়েছে, তা তার জন্য প্রেম, একটি স্বর্গীয় অনুভূতির অপর নাম। উপরন্তু সে তার প্রেমিকের প্রতি একগামী ছিলো, ফলে নৈতিকতার/প্রতারণার প্রশ্ন আসছেই না।

অথচ সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীদের একটি বড় অংশ জনতার আদালতের বিচারক হিসেবে নিহত নারী অথবা শিশুর চরিত্রহননে লিপ্ত হয়েছে। মেয়েটির বাবা মা কেমন লোক, তারা সন্তানকে এত ‘লোভী’ হতে শিখিয়েছেন যে সে ধনীর ঘরে ‘রক্ষিতা’ হয়ে থেকেছে অর্থ বিত্তের আশায়! অথচ, নিহতের বাবা মা মৃত, যে কারণে আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলাটি করেছেন তার বোন বাদী হয়ে।

এবারে আসি বিয়ের প্রলোভনের কথায়। আমার মতে, এই প্রলোভন শব্দটি সমস্যাজনক। বরং বলা যেতে পারে বিয়ের প্রতিশ্রুতি। বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন সম্পর্ক করা আইনের দৃষ্টিতে ধর্ষণ। ইদানীংকালে এই প্রলোভন বা লোভানি কথাটি দিয়ে নারীকে ‘বোকা’ ‘লোভী’ ‘নিষ্ক্রিয়’ করে দেখানো হচ্ছে বলে নারীবাদীদের একাংশের মধ্যে প্রবল আপত্তি দেখা যাচ্ছে। কিন্তু বুঝতে হবে প্রতিটি আইনের কনটেক্সট থাকে। বিবাহের আশ্বাস দিয়ে যৌন সম্পর্ক ঘটিয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের সাথে সাথে প্রাপ্তবয়স্ক মেয়েরাও প্রতারণার শিকার হয়েছেন অহরহ। কাজেই এই আইনের পরিমার্জন কাম্য হলেও বিলুপ্তি কোন ভাবেই কাম্য নয়।

বিবাহের প্রতিশ্রুতিতে (অথবা প্রলোভনে) পড়া যে কোন মেয়ের জন্য কতখানি উচিত বা কাম্য? এই সমাজ নারীর জন্য যে সকল পেশা নির্ধারিত করেছে তার মধ্যে অন্যতম প্রধান একটি পেশা হচ্ছে গৃহিণী। কোন পুরুষের স্ত্রী পরিচয় থাকলে নারীর উপার্জনের বা জীবিকার খোঁজ আর নেওয়া হয় না। ধরেই নেওয়া হয়, তার জীবিকার মালিক তার স্বামী। বিবাহিতা নারীর যেন আর কোন জীবিকার প্রয়োজন নেই। আর অবিবাহিতা নারীর জীবনের মুল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে বিবাহ নামক প্রতিষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গার্হস্থ্য জীবনে প্রবেশ করা।

এ ক্ষেত্রে স্মরণ করা যেতে পারে, ডঃ কাবেরি গায়েনের গবেষণা কর্ম ‘পাত্র-পাত্রী চাইঃ সংবাদপত্রে প্রকাশিত বিবাহ বিজ্ঞাপনের লৈঙ্গিক সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ’ এ উল্লেখ করা কিছু উদাহরণ। কাজটিতে ডঃগায়েন বিবাহ বিজ্ঞাপনের ইতিহাস ও ভাষাভঙ্গি বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন, বিয়ের বাজারে নারী একটি বিক্রয়যোগ্য পণ্যের অধিক কিছু নয় এবং সেই পণ্য নিষ্ক্রিয়। ডঃ গায়েন বিবাহ বিজ্ঞাপন বিশ্লেষণে পাত্রীর যে সকল বৈশিষ্ট্য খুঁজে পান, তাতে নমনীয় বিশেষণটিতে মনযোগ দেওয়ার কথা বলতে গিয়ে বলেন, ‘যাকে নমিত করে রাখা যায়, সে-ই তো নমনীয়’, অথচ নমনীয় বা বিনয়ী পাত্র কেউ খোঁজে না, যদিও বিনয় একটি মানবিক গুণও বটে। তিনি আধেয় বিশ্লেষণে পরিষ্কার প্রমাণ পেয়েছেন যে, বিয়ের বাজারে নারীর পুঁজি তার দেহ এবং পুরুষের পুঁজি তার টাকা। নারীর ক্ষেত্রে অপরাপর গুনাগুণের ( যেমন, শিক্ষিতা, চাকুরীজীবী, মেডিক্যাল/বুয়েট পড়ুয়া এবং পিতার পদবী/সম্পত্তি) চাহিদা উত্তরোত্তর বাড়লেও পুরুষের যোগ্যতা কেবল রোজগার এবং পকেটের অবস্থা। ফর্শা পাত্র কেউ চায় না, এমনকি স্বাস্থ্যবানও নয়, যদিও স্বাস্থ্য মানুষের সৌন্দর্যের একটি প্রধান দিক। অন্যদিকে পাত্রীর শিক্ষা একটি প্রার্থিত গুণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। কিন্তু তা তার পেশা জীবিকা বা ব্যক্তিত্বের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পাত্রী হিসেবে যোগ্যতর হয়ে ওঠার জন্যই, ‘শিক্ষা চাকরি এসব যেন সোনার অলঙ্কারে হীরের ফুল’।

আমরা সকলেই জানি, বিবাহ একটি সামাজিক চুক্তি এবং এই চুক্তিতে অর্থের লেনদেন একটি ঐতিহাসিক সত্য। বিবাহের মধ্যে একগামিতার প্রতিশ্রুতি থাকলেও, তা নারীর জন্য বাধ্যতামূলক, পুরুষের জন্য ঐচ্ছিক।  আমার প্রশ্ন হচ্ছে, যে সমাজ নারীর জন্য বিবাহকে অমোঘ নিয়তি হিসেবে বেঁধে দিয়েছে এবং বিবাহ নামক বৈতরণী পাড় হওয়ার জন্য যোগ্যতা হিসেবে মানদণ্ড রেখেছে দৈহিক সৌন্দর্যকে, সেই সমাজে বিবাহের আশ্বাসে, প্রলোভনে, প্রতিসশ্রুতিতে অথবা ফাঁদে পড়া নারীকে দোষারোপ করা কতখানি যুক্তিযুক্ত? যে ব্যবস্থা নারীকে পারিবারিক ও সামাজিক ভাবে শেখায় নিজ বুদ্ধি,শিক্ষা,ব্যক্তিত্বের চেয়ে দৈহিক সৌন্দর্য আর ফর্শা রঙকে গুরুত্ব দিয়ে, দেহকে একটি পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করতে সেখানে ব্যক্তিকে, এই ক্ষেত্রে মুনিয়াকে ( আমি আবারও বলছি, যে একই সঙ্গে নারী ও শিশু) সৌন্দর্যের বিনিময়ে বিত্তের লোভ করার দোষারোপ করা যায় কী করে? কারো কাছে বড় অংকের চাকরির সুযোগ থাকলে সে সেই সম্ভাবনাকে পরিচর্যা করবে, সেটাই তো স্বাভবিক। একই সঙ্গে এই প্রশ্নও থেকেই যায়, যখন ‘নাম বললে চাকরি থাকবে না’ তখন সাংবাদিকেরা সত্য তথ্য পরিবেশনের সাহস, জোর কোথা থেকে পাবেন?

লেখক পরিচিতি

উম্মে রায়হানা
কবি, লেখক। জন্ম ময়মনসিংহে, ১৯৮৪ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ নিয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেছেন ২০০৮ সালে। পরে ২০১২ সালে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর করেছেন।

Get in Touch

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

আরও পড়ুন

হোর্হে লুইস বোর্হেস-এর কবিতা

হোর্হে লুইস বোর্হেস-এর এ-কবিতাগুলি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ফের্বোর দে বুয়েনোস আইরেস’ (বুয়েনোস আইরেসের জন্য ব্যাকুলতা)-এ অন্তর্ভুক্ত

অমৃতলোকের কথাশিল্পী সেলিনা হোসেন

অনন্য কথাশিল্পী সেলিনা হোসেন, একাত্তরের বাঙালির ভয়াল দিন-রাত্রিতে আপনি ছিলেন ঢাকা শহরের অধিবাসি হয়ে। দু’চোখে দেখেছেন জল্লাদ রক্তপিপাসু পাকিস্তানীদের রক্ত উল্লাস। উদ্যত রাইফেল আর মেশিনগানের মুখে গোটা বাংলাদেশ নেতিয়ে পড়েছিল

পেন পিন্টার প্রাইজ পেলেন জিম্বাবুয়ের ঔপন্যাসিক

তার সর্বশেষ প্রকাশিত উপন্যাস ‘দিস মউর্নঅ্যাবল বডি’ গত বছরের বুকার পুরস্কারের লং লিস্টে জায়গা করে নিয়েছিলো। দুর্নীতি ও ভঙ্গুর অর্থনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে গত বছর গ্রেফতার হন তিনি।

Get in Touch

সর্বশেষ প্রকাশিত