শব্দ কল্প দ্রুম: কবিতার পটভূমি | বিপাশা বিনতে হক

সূফী ঘরানার একটি গল্প শোনাই:
এক গ্রামের পাশে একটি রহস্যময় প্রাচীর ছিল। কেউ যদি প্রাচীন এই প্রাচীরটির উপরে উঠে ওপারে কী আছে, তা দেখার চেষ্টা করত; তবে সে একবার সেদিকে তাকিয়ে শুধু হাসতো, তারপর লাফ দিয়ে ওপারে চলে যেত, আর ফিরে আসতো না।

গ্রামের লোকেরা করলো কি, একজন লোককে পায়ে শেকল বেঁধে প্রাচীরে তুললো। ওদের কথা হলো গ্রামে তো সুখের সব ধরণের উপাদানই রয়েছে, তবু তারা কীসের টানে ওপারে চলে যায়, আর ফিরেই আসে না— আলবৎ তা জানবার দরকার।

এবারের লোকটি ওপারের দৃশ্য দেখে আনন্দিত হল। বেশ খানিকটাহাসলো। শেকল ধরে টেনে নামাবার পর সবাই তাকে ঘিরে ধরে জানতে চাইল এই নির্মল আনন্দের রহস্য; তখন দেখল যে সে কোনো আওয়াজ করতে পারছে না। রূপকের মোড়কে বলা যায়, বোবা লোকটি মনে মনে তখন বলছে:

আকাশ দরিয়ায় ডুব দিয়ে উঠি।
দিনের পৃষ্ঠা উল্টে পাই রাংতা মোড়ানো এক সলতে,
অমনি তাকে ছুঁতে আসে আলেয়া পোড়ানো
ভোজবাজির মিছিল।

জমিনের শেষ শিশির, তুমি বলে দাও,
কেন রাতের দুপুরে দানা বাধে গোলাপি শুক্তি।
আর, এই যে দিনগুলি দেখছো,
তারা যাত্রার পর্বে দেখেছে জৈন্তার সেনাপতির শিরোচ্ছেদ।

জমিনের শেষ শিশির, মিলিয়ে যাবার আগে দেখিয়ে দাও
সেইসব সরাইখানা, দু’দণ্ড জিরিয়ে
আমিই না হয় বলে দেব
পথের বাকি যত কেচ্ছা।

আসলেই তাই, একটা চূড়ান্ত কবিতা আমাদের বোবা করে দেয়—বিবশ হয়ে যায় শরীর, যেন অস্তিত্বসংকটে টলে ওঠে পায়ের নিচের দুনিয়া!
কবিতার ঈশ্বর গোপনীয়তা রক্ষা করেন। বড়ই আজব তিনি! যখন তাকে প্রশ্ন করি, ‘আপনার সাথে কে?’ তিনি বলেন, ‘তোমার চিন্তা।’
চিন্তায় রয়েছি আমি—আমিতে থিতু হয় আমার জীবন—জীবন হয়ে ওঠে কবিতা—কবিতা একটা গতি ছাড়া আর কিছুই নয়৷ “সবচেয়ে আদিম, সবচেয়ে মরমি, সবচেয়ে জীবন্ত অর্থে ‘আমি’ হলাম একটা শব্দ, একটা ক্রিয়াপদ, একটা গভীরতা” (ব্লেজ সঁদ্রার)৷ এসব বোঝা না বোঝার গোলমেলে হিসেবে টুপ্ টাপ্ করে:

একদিন মিলে যায় অফুরান আকাশ
যখন কর্পূরের গাঢ় গন্ধ উবে যায়
ক্ষণিকের আনমনে
কাজে কামে সঁপে দেই তোমার কাছে বসার নগন্য ইচ্ছে
বেঁচে থাকে শুধু কাজ আর কাক,
দেখি, ফুরসৎ মেলে কি না অসীমের অভয়ারণ্যে।

এমন হু হু করা উদাস বুকে মনে হয়, পৃথিবীর অনেক দক্ষিণে, রাতের প্রশ্নবোধক তারা-মালার নিচে কী আমি? টালির ছাদটাকে ভীষণ অদরকারী মনে হয়! মাথা ঝোঁকানো উইলো গাছের কান ঘেঁষে চারটে চকচকে তারার সাথে আত্মীয়তা হতে হতে যেন ঝাপসা হতে শুরু করেছে আমার উত্তর গোলার্ধের সপ্তর্ষি! সপ্তর্ষিকে রেখে এসেছি সিলেটে, রিকাবী বাজারের শিল্পকলা একাডেমির ওপর—যত ধোঁয়াশা পাক দিয়ে ধরুক এ ধরণীর কমলালেবুকে, তার আলো যতই মলিন দেখাক নিউজপ্রিন্টে ছাপানো ভূগোল বইয়ে; সে আছে, আমি নিশ্চিত সে আছে!

আমি দেখি তারা থেকে তারায় আমার যাত্রানামচা। কোন এক মফস্বলের জোনাকি জ্বলা সন্ধ্যার পথে হেঁটে হেঁটে এসে, আটকে গিয়েছি ভূগোল বইয়ের দক্ষিণে প্রশ্নবোধক তারার সাথে! আকাশ গঙ্গার ধোঁয়া ধোঁয়া ভোতা শুভ্রতা বুকে পৌঁছে যায় এইসব নিকষ কালো রাতে, দু’চারটে স্যাটেলাইট এদিক সেদিক অজানা তাড়াহুড়ায় ছুটে যায়—দিগন্তে মিলিয়ে যাওয়া পর্যন্ত দৃষ্টি টেনে বেঁধে রাখে! একদিন যেমন করে আমাকে গেঁথে রাখতো রাতের উল্কা; রিকাবী বাজারের শিল্পকলার সামনে, আব্বু যখন আমাকে রিকশায় বসিয়ে রেখে আলুটা-মূলাটা কিনতে বাজারে ঢুকতো! উল্কাপুচ্ছের অচিন কেচ্ছায় বুঁদ হয়ে থাকা ছাড়লো না রে….

ভালোবাসার জন্য বেশুমার কাঙালিপনা জেগে ওঠে; এর জন্য কখনো শ্রেষ্ঠত্ব ও ক্ষমতা হারাতে হয়। এরপর মুক্ত হয়ে যাওয়া যায়। কোনো দ্বার বা কোনো ছাদ আর আটকে রাখে না। সব খুইয়ে আবারো সবই ফিরে পাওয়া যায়। তবু, দূরাগত রেলগাড়ির ধাতব শব্দে গুঙিয়ে ওঠে কিছু চাপা রোষ—

কেউ কি বোঝেনা যে আমার মনটা কাঁদে
একটা ডাকের জন্যে?
যে ভালো-মন্দ জিজ্ঞেস করবে,
যার সাথে মনটা খুলে বলতে পারি
আমার কষ্ট, আমার বেদনা?

যার সাথে কথা বললে অগ্রহায়ণের কুয়াশা এসে বুকে ঢুকে যায়!
কুড়া পাখি কব্ কব্ টুল্লুত টুল্লুত করে জমিনে নেচে উঠে..
বাতাসে লাগে শীতের চোরা টান,
টেনে আনে পরিযায়ী পাখি দুনিয়ার ওওই মাথা থেকে..
পাকা ধান শুয়ে থাকে রোদের নরম বুকে.. আহা!!
কুচার এক খোঁচায় মিলে যায় পাকা বোয়াল!

আছে কি কেউ, এমন, দরদী আমার?
মনে মনে খুঁজি এমন কাউকে
যে আমার জন্য কাঁদবে
আমি জিন্দা থাকতে,
চোখ মুজলে আহাজারি করে কাউকে কাঁদতে হবে না।

এই আহাজারির রেশ মিলাতে না মিলাতেই এমিল চিওরান-এর ‘অশ্রুধারা ও সন্তজন’-এর কথা মনে পড়ে। তিনি বলেন, আমি কী কখনো ততোটাই পবিত্র হব যে সন্তদের অশ্রুধার আমার আয়না হবে?অথবা, একটি বিষণ্ণতার জন্য অন্য একটি বিষণ্ণতার শুশ্রূষা পাবো? হতে পারে যে বিষণ্ণতায় এতটাই জ্ঞান রয়েছে যে আমরা তাকে খুঁত বলি। খুঁতে ভরা আমাদের বিবর্ণ জীবনের আলপথ বেয়ে তবুও তামা হয়ে ওঠে সোনা। তখন পরীর ডানায় মোড়ানো বিকেলে ঝুপঝাপ নেমে আসে ‘শব্দ কল্প দ্রুম’ (সুকুমার রায়)। অবাক দুনিয়ায় তখন যেন

পরীর ডানায় মুড়ে বিকেলের কৃষ্ণচূড়া
গোধূলির সাথে বোঝাপড়া করে,
নামে পলাশের তিলক রেনু; উষ্ণ বাতাসে তার সঞ্চার–
ধাঁধা ছুড়ে দ্যায় ঝিঁঝিপোকা!

রোল করে, মাথা ঝুঁকিয়ে শিশুর পড়া মুখস্তের খেলা খেলা ছল,
তখনি শ্যামা মেয়ের হাতখোঁপায় কেঁপে ওঠে রক্তাভ শিমুল!
জাফরানের টান কাজলের কালোতে জ্বলে ওঠে ধিন করে।
জানি যে মহাকাল ধরে রাখে তাকেই যার পায়ে নেই অলংকার…
যার আঙুলের ইশারায় জ্যোতিহীন তাক করে নির্ভুল নিশানা
যার ঘামের ফোঁটায় শীতলপাটির ঘন বুনোট।

তাকে ভালোবেসেছে ইস্কুলের লাজুক কিশোরেরা,
তাকে কাছে পেয়েছে হলুদবুকের মাছরাঙা
তার নাকফুল হতে পেরে আহ্লাদে আটখানা ছোট্ট গোল মুক্তা!
আর সে— সে ভালোবেসেছে বৃষ্টির রেনু,
পেঁজা তুলোর মেঘ, তুলোট কাগজে নীল কলমের আঁকিবুকি।

খড়খড়ির ওপারে,
চিকের আড়ালে দানাবাধা বাষ্প এই শ্যামল পায়ের।
ডোরা কাটা হলুদে খোঁপা এলিয়ে,
বসন্তের নোনা গাঙে ঝিঁকিয়ে ওঠে তার খসে পড়া নাকছাবি…
আহা কি নরম সেই ফিরে চাওয়া!
জানি, মহাকালও এ-ই চেয়েছিলো
আলপথের শেষে তার দ্যাখা…

কবিতাকে হয়ে উঠতে দেখি ডুব সাঁতারের ধরে রাখা দম। কবিতা থেকে কবিতায় শ্যামল পায়ের মেয়ে চলে ফেরে। বসন্তের নোনা গাঙে ঝিঁকিয়ে ওঠা সাধক ও তার আরধ্য, গুরু ও তার শিষ্য, প্রেমিক ও তার প্রেম অবস্থানগতভাবে এক। তাই ভেবেচিন্তে ধরে নিলাম, সন্ধ্যায় কোনো আওয়াজ তুলবো না। যেমন, তাড়াহুড়ো করে রান্না করা অথবা এটো বাসন ধুয়ে তোলা। আর, বাসার ছোট সদস্যদের চেঁচামেচি খুনসুটি অথবা অভিমান .. এসব থামিয়ে দেব।
এত এত কঠিন প্রতিজ্ঞার মাঝে মন্থর পায়ে উঁকি দিয়ে যান জীবনানন্দ দাশ,
“চিন্তা তবু বর্ষারাতে দ্বার থেকে দ্বারে
ভিজে কুকুরের মতো গাত্রদাহ ঝাড়ে।”

কবিতায় না ব্যবহার করা শব্দগুলো গাত্রদাহ ঝাড়ে — সব যে বলতে নেই! বলে দেবার মধ্যে কোনোই বাহাদুরি নেই! আমি ছন্দ মানি না, কৌঁসুলি উকিলের মতো জেরা করে বলাতে চাই না আমাকে পড়ে কি বুঝলে, বলো দেখি? আমার ডিকশন আমিই বানাই; আমিই ভাঙি। আমার সরলতাকে যদি রহস্যময় ঠেকে—সেই ভালো, সেই ভালো। আমি দাঁড় বেয়ে, গুন্ টেনে আমার মতো একদিকে চলে যাই। ভাটিদেশের কমলা জানে, কবে নাগাদ ওর ঘাটে গিয়ে লাগবে আমার তরী।

আমার মনটা কাঁদে একটা ডাকের জন্যে?
যে ভালো-মন্দ জিজ্ঞেস করবে,
যার সাথে মনটা খুলে বলতে পারি
আমার কষ্ট, আমার বেদনা?

যার সাথে কথা বললে অগ্রহায়ণের কুয়াশা এসে বুকে ঢুকে যায়!
কুড়া পাখি কব্ কব্ টুল্লুত টুল্লুত করে জমিনে নেচে উঠে..
বাতাসে লাগে শীতের চোরা টান,
টেনে আনে পরিযায়ী পাখি দুনিয়ার ওওই মাথা থেকে..
পাকা ধান শুয়ে থাকে রোদের নরম বুকে.. আহা!!
কুচার এক খোঁচায় মিলে যায় পাকা বোয়াল!

আছে কি কেউ, এমন, দরদী আমার?
মনে মনে খুঁজি এমন কাউকে
যে আমার জন্য কাঁদবে আমি জিন্দা থাকতে,
চোখ মুজলে আহাজারি করে কাউকে কাঁদতে হবে না।

এমিল চিওরান-এর ‘অশ্রুধারা ও সন্তজন’-এর কথা মনে পড়ে। তিনি বলেন, আমি কী কখনো ততোটাই পবিত্র হব যে সন্তদের অশ্রুধার আমার আয়না হবে?অথবা, একটি বিষণ্ণতার জন্য অন্য একটি বিষণ্ণতার শুশ্রূষা পাবো? হতে পারে যে বিষণ্ণতায় এতটাই জ্ঞান রয়েছে যে আমরা তাকে খুঁত বলি।

খুঁতে ভরা আমাদের বিবর্ণ জীবনের আলপথ বেয়ে তবুও তামা হয়ে ওঠে সোনা। তখন পরীর ডানায় মোড়ানো বিকেলে ঝুপঝাপ নেমে আসে শব্দ কল্প দ্রুম (সুকুমার রায়)। যেন
পরীর ডানায় মুড়ে বিকেলের কৃষ্ণচূড়া
গোধূলির সাথে বোঝাপড়া করে,
নামে পলাশের তিলক রেনু; উষ্ণ বাতাসে তার সঞ্চার—
ধাঁধা ছুড়ে দ্যায় ঝিঁঝিপোকা!

রোল করে, মাথা ঝুকিয়ে শিশুর পড়া মুখস্তের খেলা খেলা ছল,
আর তখনি শ্যামা মেয়ের হাতখোঁপায় কেঁপে ওঠে রক্তাভ শিমুল!
জাফরানের টান কাজলের কালোতে জ্বলে ওঠে ধিন করে।
জানি যে মহাকাল ধরে রাখে তাকেই যার পায়ে নেই অলংকার…
যার আঙুলের ইশারায় জ্যোতিহীন তাক করে নির্ভুল নিশানা
যার ঘামের ফোঁটায় শীতলপাটির ঘন বুনোট।

তাকে ভালোবেসেছে ইস্কুলের লাজুক কিশোরেরা,
তাকে কাছে পেয়েছে হলুদবুকের মাছরাঙা
তার নাকফুল হতে পেরে আহ্লাদে আটখানা ছোট্ট গোল মুক্তা!
আর সে— সে ভালোবেসেছে বৃষ্টির রেনু,
পেঁজা তুলোর মেঘ, তুলোট কাগজে নীল কলমের আঁকিবুকি।

খড়খড়ির ওপারে,
চিকের আড়ালে দানা বাধা বাষ্প এই শ্যামল পায়ের।
ডোরা কাটা হলুদে খোঁপা এলিয়ে,
বসন্তের নোনা গাঙে ঝিঁকিয়ে ওঠে তার খসে পড়া নাকছাবি…
আহা কি নরম সেই ফিরে চাওয়া!
জানি, মহাকালও এ-ই চেয়েছিলো
আলপথের শেষে তার দ্যাখা…

চাই তাকে বুঝুক শুশুকের হাসিখুশি ঝাঁক,
চাই তার আমের কাসুন্দি হোক মিঠেকড়া,
অংকের সূত্রগুলো সে বুঝে নিক অবলীলায়!
চাই সে কাঁচা ভাষায় গান গাক
হোক আমার মিঠেকড়া সঞ্জীবনী,
ডুবসাঁতারের ধরে রাখা দম..

কবিতা হয়ে ওঠে ডুব সাঁতারের ধরে রাখা দম। কবিতা থেকে কবিতায় শ্যামল পায়ের মেয়ে চলে ফেরে। বসন্তের নোনা গাঙে ঝিঁকিয়ে ওঠা সাধক ও তার আরধ্য, প্রেমিক ও তার প্রেম অবস্থানগতভাবে এক।
তাই ভেবেছি সন্ধ্যায় আওয়াজ তুলবো না।
যেমন, তাড়াহুড়ো করে রান্না অথবা এটো বাসন ধুয়ে তোলা।
আর, বাসার ছোট সদস্যদের চেঁচামেচি, খুনসুটি অথবা অভিমান .. এসব থামিয়ে দেব।

সন্ধ্যার শব্দগুলো কি পাখির নীড়ে ফেরার মতো?
নাকি কিচিরমিচির থামা শুনশান নীরবতার মতো?
ভেবেছি সন্ধ্যায় ডালে ফোড়নের ঘ্রান আর উঠবে না,
শিশুরা টেলিভিশন বা নেটে থাকবে না,
আর, ঝগড়া তো করবেই না। মন দিয়ে অঙ্ক কষবে
যোগ, বিয়োগ, ভাগ আর গুন।

আশা করি সামনের সন্ধ্যাগুলোতে সূর্য সময়ের কিছু আগে পাটে যাবে,
এসব শব্দের সত্যিই একটা শেষ থাকা দরকার।

লেখক পরিচিতি

বিপাশা বিনতে হক
বিপাশা বিনতে হকের জন্ম ঢাকায়, ২২ শে জুলাই, ১৯৭৫-এ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রীর পর তিনি ইংল্যান্ডের ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি ভাষা শিক্ষায় দ্বিতীয় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি এডুকেশনে পি এইচ ডি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অফ নিউ সাউথ ওয়েলস-এ। তার গবেষণার বিষয় ছিল ইংরেজি শিক্ষার্থীদের ওপর বিভিন্ন উচ্চারণের প্রভাব কীভাবে কাজ করে, তা খতিয়ে দেখা। বর্তমানে তিনি ইউনিভার্সিটি অফ নিউ ইংল্যান্ড-এ শিক্ষকতা করছেন। বিপাশা কবিতা ও প্রবন্ধ লেখেন। কবিতা লেখেন বাংলা, ইংরেজি ও সিলেটি, তিনটি ভাষায়। ভাবের নূন্যক্তি তার কবিতার প্রাণ।

Get in Touch

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

আরও পড়ুন

হোর্হে লুইস বোর্হেস-এর কবিতা

হোর্হে লুইস বোর্হেস-এর এ-কবিতাগুলি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ফের্বোর দে বুয়েনোস আইরেস’ (বুয়েনোস আইরেসের জন্য ব্যাকুলতা)-এ অন্তর্ভুক্ত

অমৃতলোকের কথাশিল্পী সেলিনা হোসেন

অনন্য কথাশিল্পী সেলিনা হোসেন, একাত্তরের বাঙালির ভয়াল দিন-রাত্রিতে আপনি ছিলেন ঢাকা শহরের অধিবাসি হয়ে। দু’চোখে দেখেছেন জল্লাদ রক্তপিপাসু পাকিস্তানীদের রক্ত উল্লাস। উদ্যত রাইফেল আর মেশিনগানের মুখে গোটা বাংলাদেশ নেতিয়ে পড়েছিল

পেন পিন্টার প্রাইজ পেলেন জিম্বাবুয়ের ঔপন্যাসিক

তার সর্বশেষ প্রকাশিত উপন্যাস ‘দিস মউর্নঅ্যাবল বডি’ গত বছরের বুকার পুরস্কারের লং লিস্টে জায়গা করে নিয়েছিলো। দুর্নীতি ও ভঙ্গুর অর্থনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে গত বছর গ্রেফতার হন তিনি।

Get in Touch

সর্বশেষ প্রকাশিত