অসীম সাহা

অসীম সাহার জন্ম ১৯৪৯ সালের ফেব্রুয়ারির ২০ তারিখে। আদি বাড়ি মানিকগঞ্জ শিবালয় থানার তেওতা গ্রামে। শৈশবের কয়েক বছর এখানেই কাটান। পরে পিতা অখিলবন্ধু সাহার কলেজের চাকরির সূত্রে ১৯৪৮ সালে মাদারীপুর চলে গেলে, সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। স্কলজীবন মাদারীপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয়, এরপর ‘ইউনাটেড ইসলামিয়া হাই স্কুলে। ১৯৬৫-তে মাধ্যমিক পাশ করে মাদারীপুর নাজিমুদ্দিন মহাবিদ্যালয় থেকে ১৯৬৭-তে উচ্চমাধ্যমিক, ১৯৬৯-এ স্নাতক পাশ করে ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৭১ সালের পরীক্ষা দেশ স্বাধীন হলে ১৯৭২ সালে সম্পন্ন হয়। অবশেষে ১৯৭১ সালের পরীক্ষা ১৯৭৩ সালে শেষ হলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তার লেখালেখির শুরু ১৯৬৪ সালে। ১৯৬৫ সালে ঢাকার পত্রিকায় ছোটদের জন্য লেখালেখির শুরু। সেই থেকে কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, ছড়া, কিশোর কবিতা, গান প্রভৃতি রচনায় সিদ্ধহস্ত কবি অসীম সাহা এখনও অব্যাহতভাবে লিখে চলেছেন। তাঁর বইয়ের সংখ্যা ৫৬টি। পেয়েছেন আলাওল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯৩), বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (২০১১), শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন পুরস্কার (২০১২), কবিতালাপ পুরস্কার (২০১২), আন্তর্জাতিক রূপসী বাংলা পুরস্কার (পশ্চিমবঙ্গ) (২০১৩), বঙ্গবন্ধু স্মারক পুরস্কার (পশ্চিমবঙ্গ) (২০১৬), আইএফআইসি ব্যংক পুরস্কার (২০১৬) ‘একুশে পদক’ (২০১৯)-সহ আরও অনেক পুরস্কার।
2 লেখা

বিদায় আমার মানুষ-দেবতা শঙ্খ ঘোষ!

শঙ্খদার লেখার সঙ্গে আমার পরিচয় তাঁর ‘আদিম লতাগুল্মময়’ কাব্যগ্রন্থের কবিতা ‘দিনগুলি রাতগুলি’ পাঠ দিয়ে। এরপর কাব্যগ্রন্থ ‘নিহিত পাতালছায়া’, মূর্খ বড় সামাজিক নয়’, ‘বাবরের প্রার্থনা’, ‘পাঁজরে দাঁড়ের শব্দ’ কিংবা ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’, প্রতিটি কাব্যগ্রন্থের নামই ভিন্নমাত্রিক।

অসীম সাহার কবিতা

পূর্ণিমার চাঁদ   বাজপাখির ডানার মতো মেঘ—তার হা-এর ভেতর মায়াবিনী চাঁদ এমনভাবে স্থির হয়ে আছে—যেন এই থেকে যাওয়া...