সিটিজেন কনটেন্ট

সাংবাদিকরা কেন হেফাজতের হামলার লক্ষ্যবস্তু?

ছাত্রলীগের দিক থেকে তার রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে মোদি বিরোধীদের দমন করা ও মিডিয়ার ওপর চড়াও হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যারা সরকারবিরোধী কর্মসূচি আয়োজন করে, তারা তো মিডিয়াকে পাশে পেতে চাইবে। তাহলে হেফাজত কর্মীরা কেন সাংবাদিক পরিচয় পেয়েই রেগে যায়? চড়াও হয় সংবাদকর্মীদের ওপর?

কিশোর মুক্তিযোদ্ধার সাহসী গল্প

ইব্রাহিম খলিল একাত্তরে ছিলেন কিশোর। ওই বয়সেই বাড়ি ছেড়ে সশস্ত্র যুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তার পৈত্রিক নিবাস গোপালগঞ্জ। এখন তিনি যশোরের অভয়নগর উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা। তার সাক্ষাৱকার নিয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মো. ওমর ফারুক।

অন্তরালের ইতিহাস: পাটগ্রামই প্রথম বাংলাদেশ?

আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই সেখানে মুক্তির সংগ্রামের সূচনা হয়েছিল। বুড়িমারি-পাটগ্রাম মুক্তাঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনী কখনও প্রবেশ করতে পারেনি। অস্থায়ী সরকারের প্রথম বেসামরিক প্রশাসন গড়ে উঠেছিল এইখানে।

ফিদেল কাস্ত্রো: যার কাছে ভালোবাসা মানেই বাংলাদেশ

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে যৌথতার প্রবাহে যুক্ত হন বিদেশি রাষ্ট্রনেতা, সাংবাদিক, যাজক, পরিব্রাজকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বাংলাদেশের সরকার তাদেরকে ‘মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা’ দিয়েছে। সেই সম্মামনা পাওয়দের কয়েকজনের কথা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করছে সিজেএমবি। আজ থাকছে কিউবার প্রয়াত নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর কথা।

নিম্নবর্গের ইতিহাসবিদ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অনলাইন বক্তৃতা শুক্রবার

সাম্প্রতিক কালের বিশ্বরাজনীতির বোঝাপড়ায় প্রাধান্যশীল আলোচ্য গণতন্ত্র ও  পপুলিজম। বাংলাদেশেও এসব তর্কের ঝাপটা প্রায়ই আছড়ে পড়ে। এখানেও পপুলিস্ট রাজনীতি নিয়ে জল্পনা-কল্পনা তাত্ত্বিক ও অ্যাক্টিভিস্ট...

পাটগ্রামের এক তাজউদ্দীন আহমদ

পাটগ্রামের এক তাজউদ্দীন আহমদ। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ বেশ কয়েকবার লালমনিরহাটের সীমান্ত উপজেলা পাটগ্রাম সফর করেন। সেখানে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকদের নিয়ে বৈঠক করেন। তাকে দেখে মুগ্ধ হয়ে একটি পরিবার তাদের এক ছেলের নাম রাখে তাজউদ্দীন আহমদ। তার বয়স স্বাধীন বাংলাদেশের সমান। পাটগ্রামে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অনুসন্ধানে গিয়ে সিজেএমবি টিম এই তাজউদ্দীনকে খুঁজে পায়।

সর্বশেষ প্রকাশিত লেখা