প্রবন্ধ

নজরুল ও বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ

কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশে এনেই বঙ্গবন্ধু দায়িত্ব শেষ করেননি। তিনি হয়ে উঠেছিলেন কবি পরিবারের একান্ত একজন। রাষ্ট্রাচারের তোয়াক্কা না করে প্রায়শ তিনি বঙ্গমাতাকে সঙ্গে নিয়ে হাজির হতেন ৩২ নাম্বারের অনতিদূরস্থ কবিভবনে।

বিদায় আমার মানুষ-দেবতা শঙ্খ ঘোষ!

শঙ্খদার লেখার সঙ্গে আমার পরিচয় তাঁর ‘আদিম লতাগুল্মময়’ কাব্যগ্রন্থের কবিতা ‘দিনগুলি রাতগুলি’ পাঠ দিয়ে। এরপর কাব্যগ্রন্থ ‘নিহিত পাতালছায়া’, মূর্খ বড় সামাজিক নয়’, ‘বাবরের প্রার্থনা’, ‘পাঁজরে দাঁড়ের শব্দ’ কিংবা ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’, প্রতিটি কাব্যগ্রন্থের নামই ভিন্নমাত্রিক।

প্রসঙ্গ : পাখিবিদ সালিম আলির আত্মজীবনী ‘দ্য ফল অব অ্যা স্প্যারো’

জরিপের কাজের জন্য সালিম আলিকে বেশ কিছু অঞ্চলে পরিভ্রমণের জন্য বের হতে হয়েছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য স্থান হলো নীলগিরি, আফগানিস্তান, পাখিদের তীর্থস্থান কৈলাস মনসারোভার, ফ্লেমিঙ্গো শহর, ভারতপুর, বস্তার এবং পূর্ব হিমালয়। এর মধ্যে বেশ কিছু জরিপের কথা তার বই ‘বার্ডস অব সিকিম’ এবং ‘বার্ডস অব কেরালা’-তে স্থান পেয়েছে।

অসমিয়া কথাসাহিত্য : একটি পর্যালোচনা

বাংলা সাহিত্যে আশাপূর্ণা দেবী তাঁর সাহিত্য সৃষ্টির মাধ্যমে যেভাবে নারী জীবনের ব্যথা বেদনা ও বঞ্চনার ইতিহাস তুলে ধরেছেন, অসমিয়া সাহিত্যেও তেমনই কয়েকজন প্রগতিশীল লেখকের হাতে নারী জীবনের বেদনাঘন ইতিহাস ফুটে উঠেছে। এদিক দিয়ে দেখতে গেলে প্রথমেই নিরুপমা বরগোহাঞির নাম করতে হয়। ১৯৯৬ সনে লেখকের ‘অভিযাত্রী’ উপন্যাসটি সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করে।

কেবল তার দগ্ধ কাঠকে জানাই প্রণাম

অথচ তার গদ্য পড়লে, বিশেষত ‘জার্নাল’ এতটাই জীবন্ত যার শব্দ, বর্ণ, মনে হয় জলের মতো ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়। রবীন্দ্রনাথের আনন্দবাদী সত্তাটি তার মননে শক্তি ও সহায় হয়ে ছিল।

কবিতার অন্দর-বাহিরের জসীম উদদীন

জসীম উদদীন তাঁর কবিতার উপমার প্রয়োগেও পল্লীর অনুষঙ্গ নিপুণভাবে ব্যবহার করেছেন। তাঁর এই প্রয়োগ দেখে বিশ্লেষকগণ একমত হবেন যে, জসীম উদদীন পল্লীর পথ-প্রান্তরে যা দেখেছেন, সযতনে কুড়িয়ে নিয়েছেন এবং কবিতায় ব্যবহার করেছেন।

সর্বশেষ প্রকাশিত লেখা